Today's Quote

Only a life lived for others, is a life worthwhile
-Albert Einstein
Showing posts with label Religious. Show all posts
Showing posts with label Religious. Show all posts

Wednesday, 4 February 2015

ত্বাহারাত বা পবিত্রতা

ছালাতের আবশ্যিক পূর্বশর্ত হ’ল ত্বাহারাত বা পবিত্রতা অর্জন করা। যা দু’প্রকারের : আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক, অর্থাৎ দৈহিক। ‘আভ্যন্তরীণ পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় হৃদয়কে যাবতীয় শিরকী আক্বীদা ও ‘রিয়া’ মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর ভালবাসার ঊর্ধ্বে অন্যের ভালবাসাকে হৃদয়ে স্থান না দেওয়া। ‘দৈহিক পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় শারঈ তরীকায় ওযূ, গোসল বা তায়াম্মুম সম্পন্ন করা। আল্লাহ বলেন, إِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ (البقرة ২২২)- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ (অন্তর থেকে) তওবাকারী ও (দৈহিকভাবে) পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালবাসেন’ (বাক্বারাহ ২/২২২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغَيْرِ طُهُوْرٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُوْلٍ ‘পবিত্রতা অর্জন ব্যতীত কারু ছালাত কবুল হয় না এবং হারাম মালের ছাদাক্বা কবুল হয় না’। [1]

অযু, ওযুর ফযীলত, পদ্ধতি ও ভুল-ত্রুটি

বিশ্বপ্রতিপালক মহান রাব্বুল আলামীন সৃষ্টিলোককে সৃষ্টি করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন কেবল একটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে, আর তা হচ্ছে তাঁর দাসত্ব ও গোলামী করা। এ দাসত্ব অনেক ভাবেই হয়ে থাকে। যেমনঃ নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত, দান-সাদকাহ, কুরবানী আশা-ভরসা, প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি। এ গুলোর মধ্যে সর্বত্তোম ইবাদত হল নামায। নাযাম পড়ার জন্য প্রয়োজন পবিত্রতা অর্জন করা। পবিত্রতা ছাড়া আল্লাহ তাআলার কাছে নামায গৃহীহ হবে না। এ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেনঃ


لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاَةَ أَحَدِكُمْ إِذَا أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ

নামাজ সংক্রান্ত কিছু ত্রুটিসমুহ

ভূমিকা: সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত ছালাত আদায় করার ক্ষেত্রে মুমিন সর্বাধিক সতর্ক হবে। যথাসম্ভব নির্ভূলভাবে ছালাত সম্পাদন করতে সচেষ্ট হবে। ছালাতের ফরয, ওয়াজিব, সুন্নাত এবং ছালাতের পূর্বাপর বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিশুদ্ধভাবে পালন করবে। তার ছালাত নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ছালাতের সাথে মিলছে কি না তা নিশ্চিত হয়ে নিবে। কিন্তু বাস্তব অবস্থা কি? বর্তমানে মুসলমানদের ছালাতের অবস্থা দেখলে মনে হয়না যে তারা ছালাতের মত শ্রেষ্ঠ ইবাদতটি আদায় করছেন না কি করছেন? দেখা যায় অধিকাংশ লোকের ছালাত বিভিন্ন ধরণের ভুলে ভরা।
আমরা নিম্নে এমন কিছু ভুল-ত্রুটির উল্লেখ করছি যেগুলো মুছল্লীদের মধ্যে দেখা যায়; অথচ তা থেকে সতর্ক থাকা সকলের জন্য জরুরী।

Saturday, 13 December 2014

হযরত মুহাম্মদ (স.) কিসের তৈরি?

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মানুষ মাটি দিয়ে তৈরি, ফেরেশস্তা নূর দিয়ে এবং জিন আগুনের শিখা দিয়ে তৈরি। আমরা পাক কোরআন থেকে এ বিষয়গুলো জানি। একমাত্র মানুষ ছাড়া অন্য কারো জন্ম কিভাবে, তাদের পিতা-মাতা কারা ছিলেন ইত্যাদি বিষয়ে আমরা তেমন কিছু অবহিত নই। আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন যখন মানব জাতিকে সৃষ্টি করার এরাদা করলেন, তখন ফেরেশতাদের সাথে পরামর্শ করলেন যে, আমি দুনিয়াতে আমার খলিফা বানাতে চাই।

Tuesday, 2 December 2014

আল কুরআনের বানীসমুহ

তুমি কি লক্ষ্য কর নাই আল্লাহ কিভাবে উপমা দিয়ে থাকন? সদুপদেশের তুলনা হচেছ উৎকৃষ্ট বৃক্ষের ন্যায়, যার শিকড় দৃঢ়ভাবে মাটিতে প্রোথিত এবং শাখা প্রশাখা আকাশে [পৌছায়] ।
উহার প্রভুর অনুমতিক্রমে ইহা সর্বদা ফল প্রদান করে। এভাবেই আল্লাহ মানুষের জন্য উপমা প্রদান করে থাকেন যেনো তারা সতর্কবাণী গ্রহণ করে।
সুরা ইব্রাহীম ২৪-২৫

Monday, 15 September 2014

যা আমি ধারণ করি

অনেক দিন আগের কথা। একদিন আমার মায়ের মুখে শুনেছিলাম, পৃথিবী এবং মানুষ সৃষ্টি করে আল্লাহ নাকি ভীষণ দুঃখিত। কারন হিসেবে তিনি বলেছিলেন, আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। মানুষ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু পৃথিবীতে এসেই মানুষ কত শ্রেণীতে নিজেদের ভাগ করে নিয়েছে। ছোট্ট একটা পৃথিবীর বুকে কত শ্রেণিভেদের দেয়াল তুলেছে তারা। বৈষম্যপূর্ণ এমন একটা দুনিয়া আল্লাহ হয়তো তৈরি করতে চেয়েছিলেন না।
সে যাই হোক, এই লেখাটির পটভূমি হলো সাম্প্রতিক সময়ে চলমান বিভিন্ন ধর্মীয় অরাজকতা। আমি খুব বেশি জানি বিষয়টি কিন্তু এমন নয়। আমার বিশ্বাসে ভুল থাকতে পারে। তবে ধর্ম বিষয়ে এই কথাটি আমার জানতে ইচ্ছা করে খুব, ধর্ম আসলে কি? এমন কিছু যা আমাকে ধারণ করে, নাকি এমন কিছু যাকে আমি ধারণ করি? ঔজ্জ্বল্য, যা ধাতুর একটি ধর্ম। কারন এই বৈশিষ্ট্য ধাতু ধারণ করে। আমি মনে করি, ধর্মের ব্যাপারটিও হয়তো এমনই।

Sunday, 31 August 2014

প্রকৃত মুসলমান কি বিষন্নতায় ভুগতে পারেন?

মনস্তাত্ত্বিক জরিপ মোতাবেক বর্তমান যুগে মানুষের একটা বড় অংশই কোনো না কোনো ধরনের বিষন্নতায় আক্রান্ত এমনকি ছোট ছোট শিশুরাও। তাই আদর্শ মুসলমান হওয়ার সাথে এর সম্পর্ক নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা গুরুত্বপূর্ণ বৈকি।
ইসলাম চায় মুসলমানের জীবনে ভারসাম্য আনতে। এ জন্য চায় জীবনের বিভিন্ন দিককে সঠিক

পড়শির খবর নিন

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব মুসলমানেরই প্রিয়। অসংখ্য অমুসলিমও তাঁকে সম্মান করেন ও মর্যাদা দিয়ে থাকেন। হজরত মুহাম্মদ সা:-এর প্রভাব পারলৌকিক ও ইহজাগতিক, উভয় ক্ষেত্রেই বিস্তৃত।
মহাত্মা গান্ধী মহানবী সা: সম্পর্কে বলেছেন,

Saturday, 30 August 2014

ইসলামে সময়ের গুরুত্ব

সাধারণত কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরা জানেন সময় কত বেশি মূল্যবান। একটি প্রবাদ আছে ‘সময় হলো সোনার মতো দামি’। অনেকেই এ কথা বিশ্বাস করেন। আর ইসলামে সময় স্বর্ণ কিংবা বিশ্বের যেকোনো মূল্যবান বস্তুর চেয়ে বেশি দামি। সময়ের মূল্য কী, ইসলাম শুধু তা-ই শেখায় না। বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে ইসলাম মানবজাতিকে বিশেষভাবে শেখায়, সময়ের মূল্য দিতে হবে কিভাবে। সর্বশক্তিমান আল্লাহতালা ও তার রাসূল মুহাম্মদ সা: খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন সময়ের মূল্য, আমরা

প্রিয়নবী (সা:) এর প্রিয় ১২টি খাবার

হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)-এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তার গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। এসব খাবার প্রিয়নবী (সা.) আহার করতেন। দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (সা.) এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নবীজী (সা.) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে

ইসলামে পারিবারিক বন্ধন

আজকের আধুনিক জীবনে মূল্যবোধগুলো যেন উল্টে গেছে। বরাবরই পারিবারিক জীবন ছিল সমাজের প্রাণকেন্দ্র। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আরো অনেক ঐতিহ্যের মতো এটাও আজ আক্রান্ত।
তবুও, সমাজতন্ত্র বা অন্য কোনো ‘তন্ত্র’ কখনো তা হটিয়ে দিতে পারবে না, যা মানুষের প্রকৃতির মাঝেই প্রোথিত। তা হলো, সামাজিক বন্ধনের প্রয়োজনীয়তা আর রক্তের বাঁধনের উষ্ণতা। আল্লাহ

ঈমানের বৈশিষ্ট্য

হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানের স্বরূপ এবং মানুষের চরিত্র ও আচরণের ওপর এর প্রভাবের বিষয় গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতেন।
অবশ্য তিনি ঈমানের ধরন ও প্রতিফলনের সব দিককে এক করে দেখতেন না, কিংবা আলাদা